এর আগে, গত ২৪ আগস্ট বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে দুই জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। যাবজ্জীবন দেয়া হয় চার আসামিকে।
এছাড়া, ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দেয় হাইকোর্ট। এর আগে, ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল নুসরাত আলিম পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় গেলে পরিকল্পিতভাবে তাকে সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।
৮০ শতাংশ পোড়া শরীর নিয়ে নুসরাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।
পরে, একই বছরের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায়ে প্রধান আসামি সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদদৌলারসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।





