আমদানি শুল্ক কমানোর কারণে মুঠোফোন সংযোজনকারী দেশিয় প্রতিষ্ঠান যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে, সে জন্য তাদের আমদানি করা উপকরণেও কর কমানো হয়েছে।
আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মুঠোফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে মুঠোফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমানো হলো।
এনবিআর বলছে, প্রজ্ঞাপন ২টি জারির ফলে ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫ হাজার ৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। একইসঙ্গে ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ টাকা হ্রাস পাবে।
আরও পড়ুন:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুঠোফোন আমদানি ও মুঠোফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক হ্রাসের ফলে সব ধরনের মুঠোফোনের মূল্য গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। দেশের নাগরিকদের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজ হবে।
চলতি বছরের প্রথম দিন দাম কমিয়ে আনতে দেশে উৎপাদিত ফোনের যন্ত্রাংশ ও আমদানি করা মোবাইল ফোনে শুল্ক ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার’ বা এনইআইআর চালুর উদ্যোগ ঘিরে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন ও দাবির মধ্যে ১ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় শুল্ক ছাড়ের এ সিদ্ধান্ত হয়।
এনবিআর বলছে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক হ্রাসের ফলে সকল ধরনের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে।





