তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি উনার জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রামে যেতাম। আপনাদের মনে আছে, আমি একটা কথা বলতাম– বেগম জিয়া ভালো থাকলে, ভালো থাকবে বাংলাদেশ। আমি বিশ্বাস করি অবশ্যই উনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু বাংলাদেশ কি ভালো আছে? বা ভালো থাকবে? যদি বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হয় তাহলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে এ নাগরিক শোকসভার আয়োজন করা হয়।
খালেদা জিয়ার অনেক অসাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল মন্তব্য করে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘উনি সৎ ছিলেন, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন, আত্মত্যাগী ছিলেন, দেশপ্রেমিক ছিলেন। ওনার মধ্যে রুচির এক অবিস্মরণীয় প্রকাশ ছিল। পরমতসহিষ্ণু ছিলেন। বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আল্লাহর কাছে হাজার শোকর যে আজ আমরা মুক্তভাবে বেগম জিয়ার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে পারছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আজ স্বাধীনভাবে ঘৃণাও প্রকাশ করতে পারছে, স্বাধীনভাবে ভালোবাসাও প্রকাশ করতে পারছে। এজন্য এক নেত্রীর ঠাঁই হয়েছে মানুষের হৃদয়ে, আরেকজনের ঠাঁই হয়েছে বিতাড়িত ভূমিতে।’
শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন। উপস্থাপনা করেন আশরাফ কায়সার ও কাজী জেসিন। এসময় দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




