এসময় অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তিকে চরম বৈষম্যমুলক আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করে দ্বিপক্ষিক বানিজ্য চুক্তি করার আহ্বান জানন তিনি।
ড.খন্দকার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চুক্তি বৈষম্যমূলক। এটি মসৃণ রূপান্তর কৌশল (এসটিএস) বাস্তবায়নে জটিলতা ও দেশের উন্নয়নে বড় বাধা তৈরি করবে।’
এছাড়াও জাপানের সঙ্গে করা ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) চুক্তি দেশের জ্বালানি রূপান্তর বিলম্বিত করতে পারে বলেও অভিযোগ তোলে সিপিডি। এটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
এ সময় দেশে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ না করার নীতি গ্রহণেরও আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
কয়লা উত্তোলনের যে কোনো উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানী থেকে সরে আসার প্রবণতা তৈরি করবে। সেক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন কুপ অনুসন্ধান নবায়নযোগ্য জ্বালানী ও সৌরশক্তি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের মজুরির জন্য কাজ করার দরকার আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে ইপিজেডকে আলাদা করে না রেখে, এককভাবে ওয়েজ বোর্ড করার আহ্বান জানান তিনি।
সংসদ সরকারের জবাবদিহিতার প্রসঙ্গে ড.খন্দকার বলেন, ‘জাতীয় সংসদ সরকারের জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। বেসরকারি বিল কোনোভাবেই আসে না, বর্তমান সংসদকে এ বিষয়ে জোর দিতে হবে। প্রশ্নোত্তর পর্বটি বিরোধীদল যেন কাজে লাগায়। স্থায়ী কমিটিগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।’
সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত হওয়া দরকার বলেও মন্তব্য করে সংস্থাটি।
একইসঙ্গে পাকিস্তান-আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্তিতি জ্বালানী খাতে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।





