ঝকঝকে আলোয় বিমানবন্দরে রাতের অন্ধকার কিছুটা দূর হলেও অপেক্ষার সময় বেড়েছে যাত্রীদের।
সৌদি প্রবাসী এক নাগরিক জানান, আবার নতুন করে ডিরেক্ট টিকেট কাটতে বলা হয়েছে। তাহলে যাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:
শেষ মুহুর্তে যারা ফ্লাইট পেয়েছেন তারাও ছিলেন অজানা আতঙ্কে। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় দুঃশ্চিন্তায়। পরিবার-পরিজনের মুখে হাসি ফোটাতে ভোগান্তি ও শঙ্কা সঙ্গী করেই কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে তাদের।
যাত্রীরা জানান, যেতে না পারলে আমাদেরই লস। যেতে পারলেই খুশি সবাই।
এদিকে, রোববার রাত পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে ছিলো অপেক্ষমান যাত্রীদের ভিড়। এসব যাত্রীদের বেশিরভাগই প্রবাসী শ্রমিক ও ব্যবসায়ী। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় তাদের চোখে মুখে ছিলো উৎকণ্ঠা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া আর চাকরি হারানোর শঙ্কা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৯টি এয়ারলাইন্সের মোট ৭৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে হটলাইন সেবা দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।





