সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এভাবে ভাড়া বাড়লে যাত্রীসংখ্যা কমে যেতে পারে, যা এয়ারলাইনসগুলোর টেকসই পরিচালনা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে খাতসংশ্লিষ্টদের দাবি। গতকাল (মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ) রাতে জেট ফুয়েলের দাম এক লাফে প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়ানোর পরই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে ভাড়া প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যশোর ও রাজশাহী রুটে ভাড়া বেড়েছে প্রায় ১ হাজার টাকা।
এয়ারলাইনসগুলোর মতে, আন্তর্জাতিক রুটের তুলনায় এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বেশি পড়ছে অভ্যন্তরীণ রুটে।
আরও পড়ুন:
তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম প্রতি লিটার ৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ১০৭ টাকা হয়ে এখন ২০২ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমনিতেই অভ্যন্তরীণ রুটের ভাড়া অনেক যাত্রীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। এর ওপর নতুন করে ভাড়া বাড়ানো হলে যাত্রী হারানোর ঝুঁকি আরও বাড়বে।
এভিয়েশন অপারেটরদের সংগঠন এওএবির সেক্রেটারি জেনারেল মফিউর রহমান জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এয়ারলাইনস খাতকে টিকিয়ে রাখতে জেট ফুয়েলের মূল্য দ্রুত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।





