চালক ও যানবাহন মালিকরা বলছেন, সম্ভাব্য সংকটের কথা ভেবে তারা অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। এতে একাধিক পাম্প ঘুরে তেল নিতে হচ্ছে, যা আরও আতঙ্ক ও সন্দেহ তৈরি করছে।
তবে, ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা বর্তমানে দৈনিক ও মাসভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
অন্যদিকে, সচিবালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং এপ্রিল মাসেও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার বিষয়ে সবাইকে নতুন করে ভাবতে হবে।’
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন। পাশাপাশি অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন এবং জেট ফুয়েল মজুত আছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন।
এদিকে, অবৈধ মজুত ও অনিয়ম ঠেকাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩ হাজার ৫৫৯টির বেশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
রাজধানীর ১১৬টি ফিলিং স্টেশনে দৈনিক মজুত, বিক্রয়, মিটার রিডিং ও সমাপনী মজুত পর্যবেক্ষণে ৪৫টিরও বেশি ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। তারা প্রারম্ভিক মজুত রেকর্ডভুক্ত করা ও নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মনস্তাত্ত্বিক আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটা কিছুটা চাপ তৈরি করলেও, সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি আরও জানান, ফুটপাতে যারা দোকান দিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।





