জ্বালানি সংকটে সৈয়দপুরে কমেছে মোটরসাইকেল বিক্রি

মোটরসাইকেলের শোরুম
মোটরসাইকেলের শোরুম | ছবি: এখন টিভি
0

জ্বালানি তেলের সংকটে নীলফামারীর সৈয়দপুরে মোটরসাইকেল বিক্রি কমেছে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ। নেহায়েত প্রয়োজন ছাড়া কেউ মোটরসাইকেল কিনছে না। এতে বাইক ব্যবসায় ধস নামার আশংকা ব্যবসায়ীদের। ক্রেতাদের সাপোর্ট দিতে বোতলে অল্প পরিমাণে তেল দেয়ার প্রস্তাব করেছেন বাইক ব্যবসায়ীরা।

নীলফামারী জেলার মোটরসাইকেল বাজার নিয়ন্ত্রণ হয় সৈয়দপুর থেকে। শুধু এই জেলা নয়, আশেপাশের কয়েক জেলা থেকেও ক্রেতারা আসেন সৈয়দপুরে মোটরবাইক কিনতে। সৈয়দপুরে তাই মোটরসাইকেলের বাৎসরিক বাজার শতকোটি টাকা।

কিন্তু চলমান জ্বালানি সংকটে এই বাজারে ধ্বস নামার আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা। ২০০ টাকার জ্বালানি নিতে বাইকারদের সময় লাগছে ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা। যার প্রভাব পড়েছে বাইক বিক্রিতে। শোরুম গুলোতে মোটরসাইকেল বিক্রি কমেছে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ।

একজন ক্রেতা বলেন, ‘বাইক কিনতে এসেছি। আমার ছোট ভাইয়ের জন্য বাইকটি কেনা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:

সাধারণভাবে মাসের প্রথম সাত দিনে ১০ থেকে ১৫টি মোটর সাইকেল বিক্রি হয় প্রতিটা শোরুমে। তবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে কোন শোরুমে বিক্রি হয়েছে ৩টি, কোনটিতে ২টি, কোনটিতে আবার একটিও হয়নি।

বিক্রেতাদের একজন বলেন, ‘পেক্ট্রোল-অকটেন ছাড়া মোটরসাইকেল চলে না। যার কারণে পূর্বের যে সেল ছিলো সেখানে ধস নেমে গেছে।’

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বাইক বিক্রিও স্বাভাবিক হবে না। ক্রেতাদের সাপোর্ট দেয়ার জন্য বোতলে অল্প পরিমাণে তেল দেয়ার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের।

তাহিয়া বাজাজ স্বত্বাধিকারী মো. তারিকুল আলম বলেন, ‘প্রসাশনের কাছে অনুরোধ থাকবে, যারা বাইকের ব্যবসা করে তাদের স্বল্প পরিসরে তেল দেয়ার ব্যবস্থা করা যায়। তাহলে তাদের ব্যবসা ভালোভাবে করতে পারবে।’

যাদের অন্য ব্যবসা আছে তারা টিকতে পারলেও শুধু বাইক বিক্রি করেন, তারা ক্ষতির মুখে পড়বেন- এমন আশংকা বাইক ব্যবসায়ীদের।


এফএস