নগদ অর্থসহ ‘কৃষক কার্ডে’ থাকছে যেসব সুবিধা, উদ্বোধনের অপেক্ষায় যে ১১ উপজেলা

কৃষক কার্ড
কৃষক কার্ড | ছবি: এখন টিভি
0

দেশের কৃষিখাতে ডিজিটালাইজেশন ও কৃষকদের সরাসরি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ (Krishak Card / Farmer Card)। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি কৃষক এই কার্ডের আওতায় আসবেন। পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Prime Minister Tarique Rahman) এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।

নগদ অর্থ ও উপকারভোগীর সংখ্যা (Cash Assistance & Beneficiaries)

পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম দফায় ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক কার্ড পাবেন। প্রতিটি কার্ডধারী কৃষক বছরে আড়াই হাজার টাকা (Annual Cash Assistance of 2500 Taka) করে নগদ সহায়তা পাবেন। এই তালিকায় সাধারণ কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

কৃষক কার্ডে প্রদত্ত মূল ১০টি সেবা (Top 10 Benefits of Krishak Card)

এই কার্ডটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, বরং এটি কৃষকদের জন্য একটি ‘স্মার্ট সলিউশন’ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা যেসব সুবিধা পাবেন:

১. কৃষি উপকরণ: ন্যায্য মূল্যে সার ও বীজ প্রাপ্তি (Agriculture Inputs at Fair Price)।

২. সেচ সুবিধা: সুলভ মূল্যে সেচ সুবিধা নিশ্চিতকরণ (Irrigation Facility)।

৩. কৃষিঋণ: সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ প্রাপ্তি (Easy Access to Agri-Loan)।

৪. যন্ত্রপাতি: সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা (Agricultural Machinery at Low Cost)।

৫. ভর্তুকি: সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকির টাকা সরাসরি কার্ডে জমা হওয়া (Government Subsidies & Incentives)।

৬. তথ্য সেবা: মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজার দরের আপডেট (Weather Forecast & Market Info)।

৭. প্রশিক্ষণ: উন্নত চাষাবাদ বিষয়ে সরকারি প্রশিক্ষণ (Agricultural Training)।

৮. পরামর্শ: ফসলের রোগ-বালাই দমনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রাপ্তি (Crop Pest Management Advice)।

৯. কৃষি বীমা: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বীমা সুবিধা (Agri-Insurance Benefits)।

১০. বাজারজাতকরণ: উৎপাদিত ফসল ন্যায্য মূল্যে বিক্রির সুযোগ (Fair Price for Crop Sales)।

আরও পড়ুন:

সেচ ও জ্বালানি নিশ্চয়তা (Irrigation & Fuel Security)

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, জ্বালানি সংকট থাকলেও সেচ কাজে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কৃষকরা পর্যাপ্ত তেল (Fuel for Irrigation) পান।

প্রথম দফায় যেসব উপজেলায় কার্ড দেওয়া হবে (List of Pilot Project Upazilas)

জেলা (District) উপজেলা ও ব্লক (Upazila & Block)
টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ি সদর (সুরুজ ব্লক) ও গোয়ালন্দ (তেনাপচা ব্লক)
বগুড়া ও পঞ্চগড় শিবগঞ্জ (উথলি) ও সদর (কমলাপুর)/বোদা (পাঁচপির)
কুমিল্লা ও কক্সবাজার আদর্শ সদর (অরণাপুর) ও টেকনাফ (রাজারছড়া)
ঝিনাইদহ ও পিরোজপুর শৈলকূপা (কৃপালপুর) ও নেসারাবাদ (রাজাবাড়ি)
মৌলভীবাজার ও জামালপুর জুড়ী (ফুলতলা) ও ইসলামপুর (গাইবান্ধা)

এসআর