আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক | ছবি: এখন টিভি
1

মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। আজ (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ‘কিউট বৈশাখি ক্রীড়া উৎসব’। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি। এসময় প্রতিমন্ত্রী সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানান।

পান্তা-ইলিশ, ঢাক-ঢোল আর উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নিলো ক্রীড়াঙ্গন।

আমিনুল হক বলেন, ‘মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এই ধরনের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা।’

নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে সমভাবে এগিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন:

মহিলা ক্রীড়া সংস্থার জন্য খুব শিগগিরই একটি বড় ধরনের ‘সারপ্রাইজ’ বা বিশেষ ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।’

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। সমাজের সব বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করে এগিয়ে যাবো ইনশা আল্লাহ।’

আরও পড়ুন:

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী প্রচণ্ড দাবদাহ ও গরমের মধ্যেও ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়াবিদদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর তিনি ‘কিউট বৈশাখি ক্রীড়া উৎসব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন গ্রামীণ ও লোকজ খেলাধুলার পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শিত হয়। আর্চারি, প্যারা গেমস, ভলিবল, হ্যান্ডবল, কাবাডি, সেপাক টাকরো, কুস্তি, লাঠি খেলা, বলি খেলাসহ বেশ কিছু লোকজ খেলায় প্রায় তিন শতাধিক ক্রীড়াবিদ এই উৎসবে অংশ নিয়েছে।

এসএস