প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবার নিজ জেলা বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় এই সফর ঘিরে উৎসবের আমেজ জেলা জুড়ে, দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস আর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে।
বগুড়া পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার আটটি শর্তই পূরণ হয় ২০০৬ সালে। তবে রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে এতদিন তা আটকে ছিল। ৫ আগস্টের পর নতুন করে ফের কাজ শুরু হয়।
বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফরেই পূরণ হচ্ছে বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার ঘোষণা আসছে এই সফরেই।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাবেন বগুড়া পৌরসভা চত্বরে, বগুড়াবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। সেখানে নবশিষ্ট বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উনি উন্মোচন করবেন। এর পর সড়ক পথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার জন্মস্থান, জন্মভিটা, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান বাগবাড়িতে উনি যাবেন।’
সম্প্রতি দাপ্তরিক কাজ শেষে দীর্ঘদিনের সেই দাবি শিগগিরই পূরণ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায়, এমন খবরে আনন্দের জোয়ার বইছে জেলা জুড়ে।
স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা আশা করি বগুড়া সিটি করপোরেশন ঘোষণার মধ্য দিয়ে বগুড়ার সার্বিক উন্নয়ন ইনশা আল্লাহ বগুড়াবাসী সুবিধাভোগ করবে।’
আরও পড়ুন:
আয়তন ও অবকাঠামোসহ সিটি করপোরেশনের সব শর্ত পূরণ করলেও পৌরসভার বরাদ্দেই চলছে নাগরিক সুবিধা। জনবল, পরিবহণ, আর্থিক সংকটসহ নানান সংকটে বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়ছে পৌর এলাকা।
যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা আর খানাখন্দে বিপর্যস্ত চলাচল ব্যবস্থা। সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন হলেই কমবে নাগরিক দুর্ভোগ, আশা পৌরবাসীর।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘বর্ষা হলেই পানি জমে যায়। পানির জন্য আমরা চলাফেরা করতে পারি না। অনেকদিন হলেই রাস্তার কোনো প্রকার কাজ হয় না। রাস্তার দুই সাইড দিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা আছে। সিটি করপোরেশন হলে এসব ময়লা থেকে যেন আমরা উদ্ধার পাই।’
১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ৭০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের বগুড়া পৌরসভায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস। প্রত্যেকের চাওয়া প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করা হোক সব ধরনের নাগরিক সুবিধা।





