রাজধানীর ব্যস্ততা পেছনে ফেলে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে ঘরে ফিরছেন মানুষ। আজ (শনিবার, ২৩ মে) ভোর থেকেই পরিবার নিয়ে রেলস্টেশনে ছুটে যাচ্ছেন ঘরমুখো মানুষ। কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু আর ক্লান্ত শরীরেরও সবার মুখে স্পষ্ট, বাড়ি ফেরার তৃপ্তি।
শৈশবের প্রিয় আঙ্গিনায় আরেকবার হারিয়ে যেতে উদগ্রীব তারা। অপেক্ষার তর সইছে না কোরবানির ঈদ ঘিরে স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য।
যাত্রীরা জানান, বড়দের মনে হয় না যে ঈদ। বাচ্চারা আনন্দটা ফিল করে। বাচ্চার আনন্দ দেখেই আনন্দ লাগে এখন। ঈদ আসলে বাড়িতে যাওয়া হয়।
তবে যাত্রা পথের বিড়ম্বনা পিছু ছাড়েনি। সকাল থেকে বেশিরভাগ ট্রেন ছেড়েছে নির্ধারিত সময়ের ২০ থেকে ৪০ মিনিট পর। এতে ক্ষোভ জানিয়েছেন যাত্রীরা। এছাড়া, অব্যাহত আছে টিকেট ক্রয়ের জটিলতা।
যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, যে ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল ৭টা ৪৫ মিনিটে। সেই ট্রেন এসে পৌঁছেছে ৮টারও পরে।
কমলাপুর রেলস্টেশনে এক ব্রিফিংয়ে রেল সচিব জানিয়েছেন, ছাদে ওঠা ঠেকাতে কাঠোর থাকবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। চালু করা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ রেলওয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম বলেন, ‘তো আমরা এবারে খুবই তৎপর আছি। আমরা সমস্ত ম্যানেজমেন্ট আমরা সবাই প্রস্তুত। যে আমাদের যে ইন্টার-ডিপার্টমেন্ট যে সমন্বয়ের বিষয়টি, এদিকে আমরা বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখছি। আমরা আশা করছি যে এবার অন্যান্যবারের মতোই, মানে গত বছর এবং গতবার ঈদের মতোই আমরা স্বস্তিদায়ক ঈদ আপনাদেরকে উপহার দিতে পারবো।’
এদিকে, বাসের কাউন্টারগুলোতে যাত্রী সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে, ২৫ তারিখ থেকে যাত্রীচাপ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যাত্রীদের অভিযোগ, টিকিট সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম, রাখা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। তবে, তা অস্বীকার করেছেন বাসকাউন্টারের কর্মীরা।
কর্মীরা জানান, টিকিট অনেক আগে থেকেই ছাড়া হয়েছে। অনলাইন থেকেই যাত্রীরা অগ্রিম টিকিট নিয়ে নিয়েছেন। এখন পর্যায়ক্রমে যাত্রা শুরু হয়েছে, যাত্রীরা আসছে।
যাত্রীরা জানান, ৬০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা চাচ্ছে। রেগুলার যে টিকিট ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, সেই টিকিট এখন ১০০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
ভোগান্তি এড়াতে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।





