জমে ওঠেছে কোরবানির পশুর হাট, জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা

গরুর হাট
গরুর হাট | ছবি: এখন টিভি
0

ঈদ ঘনিয়ে আসায় জমে ওঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি ও ব্যাপারীরা বিপুল সংখ্যক গবাদিপশু নিয়ে আসছেন হাটে। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখর হাট প্রাঙ্গণ। জাল নোট শনাক্তকরণ, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মেডিকেল টিমসহ হাটে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কোরবানির আগের এক সপ্তাহ গরু কেনাবেচার বাজার ধরতে খামারে খামারে শেষ সময়ের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন পশু পালনকারীরা। রোগ বালাই সংক্রমণ এড়াতে গরুর ফিটনেস পরীক্ষা, খাবারে বাড়তি মনোযোগ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় বাড়তি নজর গরুর বাণিজ্যিক খামারগুলোতে।

সৈয়দপুরের খামারিরা জানান, গরুকে ফিট, খর কাটি ও ঘাস খাওয়ানো হয়। আমাদের কাজ হলো ঘর পরিষ্কার করা আর গরুকে খাবার দেয়া। দুপুরবেলা ক্ষুদির ভাত আর চোকর, খোসা এসব দিয়ে পানি খাওয়ানো হয়।

রংপুর বিভাগে ছোট-বড় মিলিয়ে খামার রয়েছে প্রায় ২১ হাজার। এসব খামারে প্রস্তুত হচ্ছে ২০ লাখ ২৩ হাজার গরু। আর ফরিদপুরে ৮ হাজার ১৬৯ জন খামারি ১ লাখ ৩ হাজার ৩৬১টি গবাদি পশু প্রস্তুত করেছেন।

রংপুর থেকে আসা একজন খামারি বলেন, আমার কাছে ৪০, ৪৫, ৫০ হাজার টাকা গরু অনেকগুলো ছিল। এ গরুগুলো আমাদের কিন্তু সেল হয়ে গেছে। এখন বর্তমানে আমার কাছে গরু ৬০ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অবস্থিত আছে।

আরও পড়ুন:

হাটে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে আকর্ষণ বাড়াচ্ছে বিশাল আকৃতির সব গরু ও মহিষ। ছোট আকারের গরু ৮০ থেকে এক লাখ টাকা, মাঝারি গরু ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ ও বড় গরুর বাজার মূল্য আড়াই লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা। তবে চাহিদার শীর্ষে ছোট ও মাঝারি গরু।

ক্রেতারা জানান, গরু পর্যায়ক্রমে ব্যাপারীরা এখনো বেচাকেনা সারে নাই। ব্যাপারীরা দাম অনেক বেশি চাচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী আছে, স্থানীয় প্রশাসনের লোকজনও আছে।

হাটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পকেটমার বা অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে পুরো হাট আনা হয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। এছাড়া বড় অঙ্কের লেনদেনে জাল টাকা শনাক্ত করতে বসানো হয়েছে একাধিক বিশেষ মেশিন। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে পশু বেচা-কেনা করে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ইএ