প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, এ মেট্রো রেল স্টেশনের নিচে বা আশপাশের কোনো জায়গা হাটের জন্য ইজারা দেওয়া হয়নি। গত দুই দিন আগে হঠাৎ ভারি বৃষ্টির কারণে কিছু ব্যবসায়ী গরু নিয়ে মেট্রো রেল স্টেশনের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিজে এসে রাস্তা থেকে পশু সরিয়ে হাটের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক এখানে দায়িত্ব পালন করছেন। তিন দিন আগের একটি ভিডিও ভাইরাল করে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনারা সরেজমিনে দেখে যান, পশু কেনাবেচা হাটের ভেতরেই চলছে।’
তিনি উল্লেখ বলেন, ‘রাস্তার ওপর পশু চলে আসায় কিছু জায়গা নোংরা হয়েছিল। তবে আজ সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখানে সার্বক্ষণিক সিটি করপোরেশনের লোকজন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। মেট্রোর আশপাশে কোনো পশু কেনাবেচা চলবে না। আমরা সরিয়ে দিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো কর্মকাণ্ড হতে দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, নির্ধারিত সীমানার বাইরে হাট বসবে না। যখনই বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, তখনই ব্যবস্থা নিয়েছি। জনগণেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘যখন বৃষ্টি হয়েছিল, তখন কিছু ব্যবসায়ী গরু নিয়ে সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে আবার বসেছেন জানতে পেরে রাত দেড়টায় আবার ঘটনাস্থলে এসে ব্যবস্থা নিয়েছি। আজ সকাল থেকেই ক্লিনিং কার্যক্রম চলছে। এ জায়গা আমরা ইজারা দেইনি। যারা সেখানে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ইজারাদারদের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলা হয়েছে।’





