তিনি বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ওপর করভার বৃদ্ধির ফলে এসব গাড়ির দাম আরও বাড়বে এবং মধ্যবিত্তের জন্য গাড়ি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও কমতে পারে।’
আব্দুল হক বলেন, ‘ইতোমধ্যে দেশে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ২১ হাজার থেকে কমে ৯ হাজার ৪০০ তে নেমে এসেছে। নতুন কর কাঠামো কার্যকর হলে আগামী বছর এ সংখ্যা আরও কমবে।’ এসময় সিসি স্ল্যাব পুনর্গঠনের ফলে নতুন গাড়ির তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম বেশি পড়ে যাচ্ছে, যা বাজারে বৈষম্য তৈরি করবে বলেও দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে কিছু শুল্ক সুবিধা দেয়া হলেও এসব গাড়ির দাম এখনও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। একইভাবে ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে কর ছাড় দেয়া হলেও উচ্চমূল্যের কারণে এর সুফল ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাবে না।’
বারভিডা সভাপতির দাবি, ইলেকট্রিক রিকশাকে নিবন্ধন ও করের আওতায় আনা হলে সরকার যেমন রাজস্ব পেতো, তেমনি এ খাতেও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো। পাশাপাশি প্লাগ ইন হাইব্রিড ও রিকন্ডিশন্ড হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে সমন্বিত শুল্ক কাঠামো প্রণয়নেরও আহ্বান জানান তিনি।





