স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্র-সম্পর্কিত সরঞ্জাম থেকে শুরু করে মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহৃত যাবতীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম সবকিছু এখনো সরকারকে আমদানি করতে হয়। প্যাথলজি বা রোগ নির্ণয় খাতের অবস্থাও বেশ দুর্বল। এজন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বিদেশ থেকে সংগ্রহ করতে হয়।’
স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর দেশের অর্থনীতির জন্য এটি কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো ক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবনের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা ও প্রণোদনা প্রদানে অত্যন্ত আগ্রহী।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে, স্বাস্থ্য নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কাজ করতে হবে। যদি স্বাস্থ্য যন্ত্রপাতি পৌঁছাতে হয় তার ব্যবস্থা করা হবে। স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স না থাকা সত্ত্বেও কাজ করে যাচ্ছে তারা। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী বাড়াতে হবে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিভাবে স্বাস্থ্য সেবা বাড়ানো যায় তার জন্য গবেষকদের চিন্তা করতে হবে।’





