প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হবে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি এক মাসের জন্য স্থগিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার গৃহপালিত পশুর জন্য সরকারিভাবে বিনা মূল্যে টিকা ও চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে।’
পরে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমা, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।





