রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাই

নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,আব্দুল মঈন খান, ও খন্দকার মোশাররফ হোসেন
নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,আব্দুল মঈন খান, ও খন্দকার মোশাররফ হোসেন | ছবি: এখন টিভি
0

প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে দু’একজন আমলার নাম আসলেও, এগিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হবে। আর আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন সেপ্টেম্বরে সংসদের নিয়মিত অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে, বিশেষ অধিবেশনের পরিস্থিতি নেই।

জোর আলোচনা আর গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পদত্যাগ করলেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। গতকাল (শুক্রবার, ২৪ জুলাই) বিকেলে পদত্যাগ করেন তিনি। তার বিদায়ের পর সাংবিধানিকভাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব বর্তায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের ওপর।

তবে পদত্যাগের খবর ছাপিয়ে সবার নজর এখন পরবর্তী রাষ্ট্রপতির দিকে। কে হচ্ছেন মহামান্য? কে যাচ্ছেন বঙ্গভবনে? রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সাধারণ মানুষের মুখে মুখে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে দেশের ২৩তম নতুন রাষ্ট্রপতির পদে বসতে পারেন এমন তালিকায় অবশ্য এগিয়ে আছেন বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা।

আরও পড়ুন:

দলের সিনিয়র সদস্যদের মধ্যে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য আলোচনায় আছেন দলটির মহাসচিব ও দুঃসময়ের কাণ্ডারিখ্যাত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও আব্দুল মঈন খান।

এ তালিকায় দলের বাইরে থেকেও বেশ কয়েকটি নাম আলোচনায় এসেছে। যাদের মধ্যে একজন আমলা, একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং একজন নারীর নামও শোনা যাচ্ছে।

তবে রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে জ্যেষ্ঠ নেতাদের শারীরিক প্রতিকূলতা, বয়স কিংবা রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় জোরালো ভূমিকার বিষয়টিও বিবেচনার কথা ভাবছে বিএনপি।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা আছে।

তবে এই নির্বাচনের আগে সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে কে বসবেন দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে? তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

এসএস