বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ ১২টি দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে আলোচনা চলছে। মাস খানেকের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে মুক্তি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে। একইসাথে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে জ্বালানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত, লভ্যাংশ ও পুঁজি নিরাপদে ফেরত নেয়াসহ নানা উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।
দেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বের সাথে কাজ করছে সরকার। একইসঙ্গে এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক বাজারে অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
এসময় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজার ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের হলেও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ মাত্র ১ বিলিয়নেরও নিচে। এই খাতে সম্ভাবনা থাকার পরও পিছিয়ে বাংলাদেশ। উন্নয়নে তাই সঠিক নীতিকাঠামে, গবেষণা, প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি এবং অর্থায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন বক্তারা।
বর্তমানে দেশে বিএসটিআই ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন দুই প্রতিষ্ঠান হালাল সনদ দেয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। হালালের সনদ প্রক্রিয়াকে আরও সমন্বিত ও সহজ করতে একটি স্বাধীন হালাল সার্টিফিকেশন এজেন্সি গঠনের প্রস্তাবও দেন বক্তারা।





