পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, ‘থানা কি বিশ্রামের জায়গা? মানুষ ডরে আসে না আপনি আসছেন কেন?’
এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের মূল কাজই হলো জনগণের সুরক্ষা ও সেবা দেয়া। থানাকে প্রতিটি মানুষের আস্থা ও ভরসাস্থল হতে হবে। নাগরিকরা যেন নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানায় আসতে পারেন এবং কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজের সমস্যা সরাসরি জানাতে পারেন—আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’
মন্ত্রী থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি থানা ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে অবস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কক্ষ, ডিউটি অফিসারের কক্ষ, তদন্ত কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ, হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যারাক ও ডাইনিং স্পেস (মেস) ঘুরে দেখেন।
ব্যারাক পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যবস্থা, মেসের সার্বিক খাদ্যের মান এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সাথে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের নাইট ডিউটি ও শিফটিং ডিউটির সুনির্দিষ্ট সময়সূচী ও কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী তেজগাঁও থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের সাথেও সরাসরি কথা বলেন। জিডি (সাধারণ ডায়েরি) বা অভিযোগ জমা দিতে আসা ভুক্তভোগীদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং তাদের অভিযোগগুলো দ্রুততম সময়ে ও স্বচ্ছতার সাথে নিষ্পত্তির জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-সহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।
এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।





