আজ (মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘১৬ লাখ ব্যালট নষ্ট হয়েছে। প্রতি ৫০টি ব্যালটে একটি ব্যালট নষ্ট হয়েছে। ভবিষ্যতে কীভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াসাশ্রয়ী করা যায়, সেটি ভেবে দেখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন একটি সম্মিলিত প্রক্রিয়া। এখানে সবাই অংশীজন। এবারের নির্বাচনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। একশোর বেশি পর্যবেক্ষণ সংস্থা থাকা প্রয়োজন হলেও নির্বাচন কমিশন ৫১টি সংস্থাকে নিবন্ধন দিতে পেরেছে।’
পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তাদের বাস্তবতার কাছ থেকে প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের হয়ে কাজ করবেন না, তাদের নিরপেক্ষ থাকতে হবে।’
নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা রাখতে হবে।’ ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন একটি অনন্য নির্বাচন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনে সহিংসতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের সহিংসতা চায় না। দেশের স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে তুলনামূলক বেশি সহিংসতা হয়। তবে মনোনয়ন পেলেই কেউ নির্বাচিত হয়ে যাবেন—এমন নয়। নির্বাচন হবে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য এবং জনগণের ভোটেই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।’





