আজ (বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলে সুবিধাবঞ্চিতদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং ঋণখেলাপিদের অযোগ্য ঘোষণার মতো কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের সুপারিশ থাকলেও মূল স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত হয়নি। বাছাই কমিটিতে স্পিকার, দুই মন্ত্রী, সরকারি দলের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদসচিবের উপস্থিতি নির্বাহী বিভাগের একচ্ছত্র প্রভাবের সুযোগ বহাল রাখছে। এছাড়া, মোট জনবলের ৩০ শতাংশ প্রেষণে সরকারি কর্মচারী নিয়োগ এবং কমিশনকে কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীন না রাখার স্পষ্ট আইনি সুরক্ষার অভাব স্বাধীন কমিশনের স্বপ্নকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
আরও পড়ুন:
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘মানবাধিকার কমিশন বিলের ১৯ ধারা অনুযায়ী শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে কমিশন নিজে স্বাধীন তদন্ত না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছেই প্রতিবেদন চাইবে। এটি ২০০৯ সালের আইনের চেয়েও দুর্বল এবং আন্তর্জাতিক প্যারিস নীতিমালার পরিপন্থি।’ একইভাবে, গুম প্রতিরোধ বিলেও অভিযুক্ত সংস্থাকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো বাহিনীর হাতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের দ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত নয়।
গুম প্রতিরোধ বিলে আইনি সুরক্ষার পরিবর্তে উল্টো ভীতি সঞ্চারের ঝুঁকি তৈরি করা হয়েছে। গুমের ন্যূনতম সাজা ৩ বছর করা হলেও, তথাকথিত ‘মিথ্যা বা হয়রানিমূলক’ অভিযোগের জন্য ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দুর্বল তদন্ত ব্যবস্থার কারণে প্রকৃত অভিযোগ প্রমাণিত না হলে উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারই সাজা ও হয়রানির মুখোমুখি হতে পারে। তদুপরি, গুম ব্যক্তিকে উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার পূর্ববর্তী সুরক্ষাও বাদ পড়েছে।
টিআইবি আহ্বান জানিয়েছে, তড়িঘড়ি করে কণ্ঠভোটে বিল দুটি পাস না করে সংসদে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ থেকে অর্থবহ আলোচনা করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও অংশীজনদের ২৫ ও ১৭ দফা সুপারিশের ভিত্তিতে মৌলিক সংশোধন না এনে আইন পাস করা হলে, মানবাধিকার সুরক্ষায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হবে।


 and Yashar chief Gadi Eisenkot wave to supporters-320x167.webp)


