বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষ সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাই মেলার মূল লক্ষ্য।
আজ (সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন আয়োজকেরা। এতে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।
আয়োজকরা জানান, এবারের মেলায় থাকবে ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল। অংশ নেবেন ২২০টির বেশি এক্সিবিটর, ২৫০ জনের বেশি কোয়ালিফায়েড বায়ার এবং ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ট্রেড ভিজিটর। মেলায় ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী সমাগমের প্রত্যাশা করছেন তারা।
চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে এয়ারলাইন্স, হোটেল, ট্যুর অপারেটরসহ পর্যটন খাতের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নিজেদের সেবা, পণ্য ও পর্যটন গন্তব্য তুলে ধরবে। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন অংশগ্রহণকারীরা।
নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণ ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটন প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি অংশ নেবে বলে জানিয়েছে আয়োজকেরা।
আয়োজকদের মতে, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অংশগ্রহণের ফলে বিভিন্ন দেশের পর্যটন গন্তব্যের প্রচার বাড়বে এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ সম্প্রসারিত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।
মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ, এনএসডিএ ও এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
আয়োজকরা বলছেন, ১৩ বারের বেশি সফল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন বাজার হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। এবারের মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর আন্তর্জাতিক প্রচার বাড়ানো, নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরি এবং বৈশ্বিক পর্যটন বাজারে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছেন তারা।





