তিনি বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। সংসদে জুলাই সনদ সংশোধন বিলের পাশাপাশি আগামী এপ্রিলে শুরু হতে যাওয়া নতুন অর্থবছরের বিলও আনা হবে।’
আজ (বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
সাক্ষাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পিপল-টু-পিপল যোগাযোগ জোরদার, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নগর উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’ বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব বলেও তিনি জানান।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পিপল-টু-পিপল যোগাযোগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। নগর উন্নয়ন নিয়ে যুক্তরাজ্যের চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায় থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ‘বটম-আপ গভর্ন্যান্স’র গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় সরকার। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’
তিনি জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এ সহযোগিতার আওতায় কাজ করতে পারবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তন করে যুক্তরাজ্যের অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা হয়েছে। এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





