তিনি বলেন, ‘ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে অধিগ্রহণের কারণে যাতে জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের অসন্তোষ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষিজমি সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।’
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির পূর্বানুমোদনের জন্য উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন মৌজায় মোট ৪.১৩০৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এছাড়া চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের ‘চাতুরী (চৌমুহনী)-সিইউএফএল-কর্ণফুলী ড্রাইডক (মেরিন একাডেমি)-ফকিরনীহাট (এন-১২১) জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় মোট ২১.৭০৮৩ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।





