গেল এপ্রিলেই ১৪টি বোয়িংয়ের জন্য ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে বাংলাদেশ। এরপর ইউরোপের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের সঙ্গেও নতুন উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা শুরু হয়। এতে ইউরোপ-আমেরিকার বাণিজ্যিক স্বার্থের পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে উভয় পক্ষের সম্পর্কও আলোচনায় আসে।
এরমধ্যেই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ, এয়ারবাস কেনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরল ফ্রান্স। মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত সংলাপে এসব বিষয়ে কথা বলেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। এয়ারবাস কেনা বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় বলেও জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, চাপ নয়, সমান সুযোগ ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতেই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ইউরোপ। তবে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কোন পথে এগোবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের ওপর বলে জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ঢাকার নিজস্ব সিদ্ধান্তের অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। একইভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও ইউরোপ কোনো পক্ষ বেছে নেয়ার জন্য চাপ দিতে চায় না বলেও জানান তিনি।





