শফিকুর রহমান লেখেন, যে দুজনের ওপর দণ্ড কার্যকর হয়েছে, তাদের বিষয়ে আলোচনার চেয়ে নিজেদের অবস্থান পর্যালোচনা করা সকলের জন্যই উত্তম।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অংশ সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত রয়েছেন। তাদের প্রবাসজীবনের নানা সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে।’
প্রবাসীদের স্বার্থ ও দেশের মর্যাদা রক্ষার্থে বিভিন্ন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থাকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ওই দুই ব্যক্তির বিচারিক প্রক্রিয়ায় আমাদের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল কি না। সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বক্তব্যে যখন উঠে আসে যে দণ্ড কার্যকর হওয়ার পর বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন, তখন তা থেকে জনমনে সঙ্গত কারণেই প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, প্রতিটি দেশ তার বিদ্যমান আইনেই বিচার করে। তবে যেহেতু এ দুজন প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিষয়টি মৃত্যুদণ্ডের, কাজেই এ ব্যাপারে দূতাবাস তার দায়িত্ব পালন করেছে কি না, সরকার যেন জনগণের কাছে তা স্পষ্ট করে।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও লেখেন, যে অপরাধে তাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে বলে জানা গেছে, এ ধরনের প্রবণতা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সামান্য পরিমাণ থাকলেও তা রোধে সরকারের কী উদ্যোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এবং বাংলাদেশ দূতাবাস এ ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাধ্য। ভবিষ্যতে কোনো প্রবাসী যাতে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় দূতাবাসের প্রাপ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেটি নিশ্চিত করা এবং দেশের মর্যাদা রক্ষায় ও সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সচেতন করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।





