মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। এর বড় চাপ পড়েছে বাংলাদেশের ওপর। জ্বালানি সংকটে নাজুক হয়ে পড়েছে শিল্পখাত, ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন।
এর মধ্যে নতুন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রয়াদেশ বাতিল। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, জ্বালানি সংকটের কারণে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার সরিয়ে নিচ্ছেন এবং তা যাচ্ছে প্রতিযোগী দেশগুলোতে। বুধবার এনবিআরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় একথা বলেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ারুল আলম পারভেজ বলেন, ‘আমাদের জেলা শহরের কারখানাগুলোর উৎপাদন বাড়াতে হবে। আর আমারদের এক্সপোর্ট সেক্টরের কিন্তু ডাইভারসেশনে যেতে হবে।’
আলোচনায় কর্পোরেট কর কমানোর প্রস্তাব দেয় ঢাকা চেম্বার। জেলা ও বিভাগীয় চেম্বারের নেতারাও কর ছাড়ের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। কর ছাড়ের ব্যাপারে একজন বলেন, ‘আমরা প্রথমে বলেছি ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়ের বিষয়ে।’
তবে কর ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বেশি কর ছাড় দেয়ার কারণে রাজস্ব আয় কমে গেছে।’
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘আপনারা অনেকে কর ছাড়ের বিষয়ে অনেক কথা বলেছেন। বিশেষ করে কর্পোরেট ট্যাক্স ছাড়ের বিষয়ে বলেছেন। আগে কিন্তু ৫০ শতাংশ ছিলো কর। আর এখন কমাতে কমাতে এমন জায়গায় এসে পৌছাইছে তাই এখন আর কর নাই বললেই চলে।’
তবে কর ব্যবস্থা সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার আশ্বাস দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।




