আমির খসরু বলেন, ‘আগামী ৭ এপ্রিল থেকে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে “ফুয়েল লোডিং” শুরু হবে। প্রকল্পের একটি ইউনিট আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় প্রায় এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।’
জ্বালানি সংকট সমাধানের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘দ্রুত উৎপাদনে যাওয়া এখন অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় গ্রিডে নতুন বিদ্যুৎ যুক্ত করার বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সব ধরনের সম্ভাব্য পথ ব্যবহার করে এই স্থিতিশীলতা অর্জনে সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে মন্ত্রী সতর্ক অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, ‘সরকার বর্তমানে প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে কীভাবে বিষয়টি এগোয় তা দেখা হবে।’
এছাড়া জ্বালানি খাতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘চলমান জ্বালানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও অব্যাহত থাকবে।’





