বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করার যে মহান লক্ষ্য নিয়ে এদেশ স্বাধীন হয়েছিল, সেই চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ছাত্রশিবির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একটি সমৃদ্ধ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ছাত্রশিবির দেশপ্রেমিক ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
স্বাধীনতার এ ঐতিহাসিক মুহূর্তে শহিদদের ত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে শিবির সভাপতির ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী কর্মসূচিগুলো হলো— স্বাধীনতা দিবসের র্যালি; আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান; মেধাবী ছাত্র সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ উপহার প্রদান; শাখা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রচনা, কুইজ, বইপাঠ, বিতর্ক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন; সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে খাবার ও শিক্ষা উপকরণ উপহার প্রদান; স্থানীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ক্যাম্পেইন।
শিবির সভাপতি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে ছাত্রশিবিরের সব মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয়, শহর ও জেলা শাখাকে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ, আমাদের সব তৎপরতা তার দ্বীনের জন্য কবুল করুন। আমিন।’





