হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘সংসদে মানুষের মৌলিক অধিকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে, যেগুলো পাশ করা হয়েছে তা মৌলিক অধিকারের নয়। সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন আবার কি আয়নাঘর, গুমের মতো ঘটনা তৈরি করে বিরোধীদলকে দমন করা হবে?’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারপ্রধান নির্বাচনের আগে তাদের দলীয় প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি হ্যাঁ ভোটের পক্ষেও সমর্থন চেয়েছিলেন। তবে কেন একই তফসিলের দুইটি ভোটে অংশ নিয়ে একটি শপথ পড়লেন আর হ্যাঁ ভোটের রায়কে ছুড়ে ফেললেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে এভাবে ছুড়ে ফেলতে পারেন না। আপনাদের মনে রাখতে হবে দেশটা সরকারের নয়, এটি সবার বাংলাদেশ।’
আরও পড়ুন:
ডাকসুর নেতাদের ওপর ‘হামলা’ প্রসঙ্গে জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো থানা, আর ছাত্রনেতারা থানায় গিয়ে হামলা শিকার হন। তাদের অপরাধ কি ছিল?’
তিনি বলেন, ‘সরকারকে বলবো আপনার দলের মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন। নয়তো জনগণ তাদের প্রতিহত করবে, তখন কিন্তু পালাবার পথ পাবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিবিরকে রগ কাটার অপবাদ দেয়া হয়, কিন্তু আমরা চট্টগ্রামে কি দেখলাম, আমার ভাইয়ের পায়ের রগ কেটেছে কারা।’
আরও পড়ুন:
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘প্রয়োজন হলে আবারও জুলাইয়ের মতো আন্দোলন হবে। এখনো সময় আছে জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন।’
তিনি নিজ দলের নেতাকর্মীদের আগামীতে আন্দোলনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন— জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর জেলার আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য শামসুল ইসলাম বরাটি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।





