ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। আমরা চাই অতীতে যা হয়েছে, হয়েছে। নতুন একটা বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে আমরা বসবাস করছি- এটার মানচিত্র বদলে যাবে? না। মানচিত্র বদলাবো না, তার খাসলত বদলাবো।’
তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখে ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে, যুবকরা জেগে উঠেছে। এখন থেকে পাহারা বসাতে হবে। আসমান থেকে চিল নামতে পারে, কালো চিল- ছোঁ মারবে ভোট নিয়ে নেয়ার জন্য। জমিন থেকেও শুরু হয়ে গেছে অপতৎপরতা। আল্লাহ আমাদের এই দুই আছাওয়া থেকে রক্ষা করুক। যুবকরা জেগে থাকতে হবে। আমার ভোট আমি দেবো, তোমারটাও আমি দেবো- এ শ্লোগান শেষ। এই ভোটের ওপর কেউ যদি হাত দেয়, কালো চিল হয়ে আসে- তাহলে ডানা খুলে ফেলতে হবে, রুখে দিতে হবে। কোনো তাইরে-নাইরে বরদাশত করা হবে না।’
আরও পড়ুন:
এসময় তিনি গণভোটে হ্যাঁ-কে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘১২ তারিখের প্রথম ভোট হতে হবে গণভোট, হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে। আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।’
রাজনীতির ধারা পাল্টে দেয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘নির্বাচিত হওয়ার পর শ্বশুর বাড়ির সম্পদ আর বাড়বে না। আমাদের দেশে এটা একটি অদ্ভুত কালচার। নেতা হওয়ার আগে বা নির্বাচিত হওয়ার আগে তেমন কোনো সম্পদ থাকে না; যেই নির্বাচিত হলো লাফিয়ে লাফিয়ে শ্বশুর বাড়ির সম্পদ বাড়ে। আমরা ওই রাজনীতির পচা ধারা পাল্টে দিতে চাই।’
এ জনসভায় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবু হারিচ মোল্যার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী ডা. ইলিয়াস মোল্যাসহ অনেকে। পরে তিনি ফরিদপুর শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে ফরিদপুর-৩ আসনের প্রার্থী প্রফেসর আবদুত তাওয়াবের পক্ষে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন।




