তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা ১২ তারিখে ভোট দেবেন, আপনাদের এই ভোটের অধিকারকে ডাকাতি করে নিয়ে গিয়েছিল একদল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করার জন্য বিএনপিসহ বহু দলের নেতা-কর্মী, বহু সাধারণ মানুষ এই স্বৈরাচারের সময় জীবন দিয়েছে। অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হয়েছে, কেস-কাচারির শিকার হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ভোটের অধিকার যারা কেড়ে নিয়েছিল তারা দেশ থেকে পালিয়েছে, কিন্তু তাদের সহযাত্রীরা দেশে রয়ে গিয়েছে। তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। মা বোনদের বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে, অন্য ধর্মের মানুষদের ভয় দেখাচ্ছে।’
এ নির্বাচন দেশ গঠনের নির্বাচন বলে জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।
আরও পড়ুন:
তারেক রহমান বলেন, ‘এই নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ আবার ভোট দেবে। ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করবে। কিন্তু শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদের এ নির্বাচনটাকে দেশ গঠনের নির্বাচন হিসেবে চিন্তা করতে হবে। দেশকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। কেন? কারণ এ দেশ যদি আমরা গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে আমরা কোথায় যাবো? আমাদের প্রথম ঠিকানা বাংলাদেশ, শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, ‘এ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান দরকার। এ এলাকায় যে ইপিজেড আছে, আমরা এ ইপিজেডকে আরও বড় করতে চাই। আরও কলকারখানা এখানে তৈরি করতে চাই। যেন এ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।’
বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মসজিদ মাদ্রাসার ইমাম-মোয়াজ্জেনসহ, ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্মানজনক সম্মানির ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যাদের অবদান আমাদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত। এ মানুষগুলো আমাদের মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম, খতিবসহ অন্য ধর্মের যে ধর্মগুরু আছেন, সে মানুষগুলো। যারা আমাদের বিভিন্ন সময় ভালো ভালো পরামর্শ দেন। তাদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করেন। ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব ধর্মীয় মানুষদের সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানীর ব্যবস্থা করতে চাই।’
এসময় তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুরসহ এ বিভাগের মানুষের একটা প্রাণের দাবি আছে। সেটি হলো তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা। ১২ তারিখের ভোটে ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে আগামী বিএনপি সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ হবে যতদ্রুত সম্ভব এ তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা। যেন এ এলাকা আবার সবুজ, শস্য, শ্যামলা হয়ে উঠতে পারে।’
আরও পড়ুন:
ভোটারকে যারা ভয় দেখাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘এ এলাকার মানুষ যেন সহজে ভোট দিতে না পারে, একটি দলকে আমরা খেয়াল করছি আমাদের সাজের বিভিন্ন মানুষকে গিয়ে তারা ভয় দেখাচ্ছে, বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আজকের আমি দ্যাত্বহীন কণ্ঠে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের কোনো ভোটারকে যারা ভয় দেখাবে, আমরা অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘বহু বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। আজ সে অধিকার ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। এখন আমাদের মূল কাজ হলো দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। নির্বাচন ঘিরে যারা ষড়যন্ত্র করবে তাদের দাত ভঙ্গা জবাব আমরা দেবো।’





