অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন স্বপ্নের মতো কাটিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেয়ার পর টপ অর্ডারের দৃঢ়তায় লিডে চোখ রেখে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। লাল সবুজের এমন দাপটের মূল নায়ক হাসান মাহমুদ। যিনি একাই স্বীকার করেছেন ৬ উইকেট।
পাকিস্তান ও ভারতের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ফাইফারের দেখা পেলেন হাসান। অজিদের বিপক্ষে ভালো করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন এই পেসার। কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনেই তার ভালো করার রহস্য লুকিয়ে আছে বলে জানান হাসান।
পেসার হাসান মাহমুদ বলেন, ‘ওয়ার্ল্ডের অন্যতম বেস্ট টিমের সাথে আসলে বোলিং করাটা খুবই খুবই চ্যালেঞ্জিং আর আমি মনে করি যে উই হ্যাভ প্র্যাকটিসড এ লট অ্যান্ড প্রিপারেশন ওয়াইজ বলব খুবই ভালো প্রিপারেশন ছিল। অনেকদিন পেয়েছিলাম প্র্যাকটিস করার এবং আমার মনে হয় বোলাররা খুবই ভালো প্র্যাকটিস করেছে এবং ম্যাচে আপনি তা দেখতে পারতেছেন।’
অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে ইংল্যান্ডে কাউন্টি খেলেছেন হাসান মাহমুদ। সেখানে পাওয়া অভিজ্ঞতা ডারউইনে কতটা কাজে দিয়েছে, সেটিও জানান এ পেসার।
পেসার হাসান মাহমুদ বলেন, ‘কন্ডিশন ওয়াইজ বোথ সিমিলার আমি পেয়েছি এবং ওখানে আসলে বোলিং করার পরে আরেকটু আমি কনফিডেন্ট ফিল করি নিজেকে যে এই কন্ডিশনগুলোতে আসলে কিভাবে বল করতে হয় বা গুড লেংথে বল করতে হয়।’
হাসানের আগুনে বোলিংয়ের পর তানজীদ তামিম ও মুমিনুল হকের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে স্বস্তি নিয়ে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন ব্যাটিং বিভাগের ভালো পারফর্মেন্সের প্রত্যাশা টাইগার পেসারের কণ্ঠে।
পেসার হাসান মাহমুদ বলেন, ‘শেষটা ভালো হইছে এবং এখন ব্যাটসম্যানদের যদি বলি যে আমরা খুবই ভালো স্টার্ট করেছি। আনফরচুনেটলি সাদমান ভাই শেষ করতে পারেনি, বাট এখন যে পার্টনারশিপ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ্ এটা ক্যারি আউট করতে পারলে বড় একটা ইনিংস আমরা খেলতে পারব।’
অজিদের বিপক্ষে পাওয়া দারুণ সূচনা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। ব্যাটার-বোলারদের সমন্বিত অবদানে অজিদের মাটিতে ইতিহাস লিখতে চায় টাইগাররা।





