পাকিস্তান পেস বোলারদের আঁতুড় ঘর। অথচ নাহিদের এক্সপ্রেস গতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে শাহিব্জাদা-রিজওয়ানের মতো ব্যাটারদের। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনের কাছে নাহিদ রানার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স অবশ্য অপ্রত্যাশিত নয়।
খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘নাহিদ একদমই “র”, এত ম্যাচ খেলেনি। কিন্তু ওর ভেতর অ্যাবিলিটি আছে। সবাই জানে, ও দুর্দান্ত পেসে বল করে। ডমিনেট করে বল করেছে, ডমিনেট করে উইকেট নিয়েছে। সত্যি কথা, আমার মনে হয়, পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের বিব্রত করেছে। মানে, যে দেশের পেসাররা জোরে বল করে, সে দেশের ব্যাটসম্যানদের নাহিদ রানার পেস খেলতে কষ্ট হয়েছে, সেটা টিভিতে দেখেই বোঝা যাচ্ছে।’
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নাহিদের ক্যারিশম্যাটিক স্পেলের পরও আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন তানজিদ তামিম। টি-টোয়েন্টি ওপেনার হিসেবে দলের প্রথম পছন্দ জুনিয়র তামিম। এখন ওয়ানডেতেও নাম্বার ওয়ান চয়েস হবার দৌড়ে আছেন। তবে সুজন মনে করেন সিনিয়র তামিমের সঙ্গে তুলনায় আসতে হলে জুনিয়র তামিমকে লম্বা ক্যারয়ার গড়তে হবে।
আরও পড়ুন:
খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘ছোট তামিমকে প্রমাণ করতে হবে অনেককিছু। আমাদের সিনিয়র তামিম যেমন লম্বা ক্যারিয়ার করেই না আমাদের দেশের এক নম্বর ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিলেন। এত বছর ধরে খেলেছেন। ছোট তামিমকেও ওইভাবেই খেলতে হবে। পরফরম্যান্স ধরে রাখতে হবে, ফিটনেস দরে রাখতে হবে। তখনই আমরা তামিমের সঙ্গে তামিমের কম্পেয়ার করতে পারবো।’
সবশেষ ১০ সিরিজের আটটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। কিন্তু লম্বা সময় পর খেলতে নামলেও এমন দুর্দান্ত জয়কে গোল্ডেন অপরচুনিটি মনে করছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আর দীর্ঘদিন পর দলে আসা আফিফ কিংবা মিরাজরা মিডল অর্ডারের চাহিদা পূরণ করবেন সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সাবেক এই ক্রিকেটার।
খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘মিরাজ এবং আফিফ চট্টগ্রামে একটা ম্যাচ শেষ করেছিল মনে হয় ১৮০ এর ওপরে পার্টনারশিপ। তো ওদের মধ্যে সেই অ্যাবিলিটি আছে। আমি বিশ্বাস করি ওরা এখন এক্সপেরিয়েন্সড, মাহমুদুল্লাহ যে কাজটা করেছে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘদিন ধরে, সেই কাজটাই ওরা হয়তো এখন আস্তে আস্তে করবে।’
মাঝের খারাপ পার করে ওয়ানডেতে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে কোচিং পেশায় থাকা খালেদ মাহমুদ সুজনের প্রত্যাশা পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ তে সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। এছাড়াও ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করার বিষয়েও আত্মবিশ্বাসী সুজন।





