বছর কয়েক আগেও ওয়ানডে ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ছিল বাংলাদেশ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে অধারাবাহিক টাইগাররা। যে কারণে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিয়েও দেখা দিয়েছিল শঙ্কা।
দল নিয়ে অবশ্য চিন্তা করতে নারাজ হান্নান সরকার, বরং বিশ্বকাপে ভালো করার লক্ষ্যে টিম ম্যানেজমেন্ট গোছালো পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে বলে মনে করেন সাবেক এ নির্বাচক ও ক্রিকেটার।
হান্নান সরকার বলেন, ‘কিছু কিছু স্ট্র্যাটেজি সাজানো হচ্ছে, উদাহরণসরূপ— লিটনকে মিডল অর্ডারে নিয়ে আসা। ৬-৭ নম্বর পজিশন নিয়ে আমরা বর্তমানে একটু স্ট্রাগল করছি। অলরাউন্ডার অপশন একটা খুব দরকার ছয় নম্বর বোলিং অপশনের জন্য। সবজায়গাতেই আমার মনে হয় পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে এবং যে পরিমাণে ম্যাচ আছে, আমার মনে হয় দলটা গঠন হয়ে যাবে বিশ্বকাপের আগেই।’
এদিকে নতুন করে সাজানো হয়েছে জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেল। তাদের অভিজ্ঞতা দলের সাফল্যের হার বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন হান্নান সরকার।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘নাদিফ মাত্র দু’বছর হলো খেলা ছেড়েছে, নাঈম তো গত বছরও খেলেছে। তাই তাদের যে অভিজ্ঞতা, কারেন্ট খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাদের যে খেলার অভিজ্ঞতাগুলো, নিশ্চিতভাবেই সিলেকশনেও এটা ভূমিকা রাখবে। শান্ত ভাই বয়সভিত্তিক গ্রুপে অনেকদিন করেছে, আমরা অনেকদিন একসঙ্গে করেছিলাম। এরপর শান্ত ভাই কন্টিনিউ করছেন, আমি সেখান থেকে সরে এসেছি, তো আমার মনে হয় তার অভিজ্ঞতাটাও কাজে লাগবে। আর সুমন ভাই তো মোস্ট এক্সপেরিয়েন্স সিলেক্টরদের মধ্যে একজন।’
বর্তমানে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং লাইন আপ যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। তবে ব্যাটিং নিয়ে আছে প্রশ্ন। নিজের অধীনে ব্যাটিং ইউনিট ক্রমেই উন্নতি করছে দাবি করলেও উন্নতির জায়গা দেখছেন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল।
আশরাফুল বলেন, ‘আমি ঢোকার পরে আমি বলবো যে, আমাদের ব্যাটাররা অসাধারণ ব্যাটিং করছেন। আগেও ভালো করছিলেন, কিন্তু আপনি যদি আয়ারল্যান্ড সিরিজে দেখেন, টেস্ট ম্যাচে তিনটি ইনিংসে ব্যাটাররা ব্রিলিয়ান্ট ব্যাটিং করেছেন। অবশ্যই আমাদের উন্নতির অনেক জায়গা আছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না পারার দুঃখ ভুলতে ভবিষ্যতে আইসিসি শিরোপা জয়ে চোখ রাখতে চান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আর সেই স্বপ্ন পূরণে দলের দুর্বলতাগুলো দ্রুত কাটিয়ে উঠতে চান আশরাফুল।





