খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম থেকে শহিদ রিয়া গোপ ক্রিকেট স্টেডিয়াম। তবে সব থেকে বেশি পরিচিত ফতুল্লা স্টেডিয়াম নামেই। একাধিকবার নাম পরিবর্তন হলেও সবশেষ ১০ বছরে মাঠের কোনো কার্যত পরিবর্তনই আসেনি।
তবে অবশেষে বদলাতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এ মাঠটির ভাগ্য। বিসিবি ও এনএনএসির যৌথ উদ্যোগে চলতি বছরের শেষেই এ মাঠের আউটডোরে ফিরছে ব্যাট-বলের লড়াই। জলাবদ্ধতা, কচুরিপানার স্তূপ ঠেলে সম্পন্ন হয়েছে বালু ভরাটের কাজ। নিরাপত্তার জন্য নেয়া হচ্ছে কার্যকরী পদক্ষেপ।
বিসিবির গ্রাউন্ডস বিভাগের সিনিয়র ন্যাশনাল ম্যানেজার সৈয়দ আব্দুল বাতেন বলেন, ‘মাটি ভড়াট করা হয়েছে। সে কারণে বাউন্ডারি নিচু হয়ে গিয়েছে। এগুলো ঠিক করার কাজ শুরু হবে। মাঠের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বিসিবির পক্ষ থেকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে সুপারিশ করবো। আর দুই একদিনের মধ্যে আশাকরি আনসারা মাঠের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখবে।’
আরও পড়ুন:
এ মাঠেই খেলে গেছে মাইটি অস্ট্রেলিয়া থেকে হালের রোহিত-কোহলিরা। ফতুল্লার এ অবস্থা দেখে এনএসসি কর্তাদেরও মাথায় হাত। দিলেন দ্রুত সমাধানের আশ্বাসও।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক তিতান খীসা বলেন, ‘মাঠের বর্তমান অবস্থা দেখে খুবি খারাপ লাগছে। আমরা বিসিবির সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে মাঠটাকে কীভাবে ঠিক করা যায়।’
এদিকে, ড্রেসিংরুমের সামনেই আবাসন ও বসতবাড়ি গড়ে ওঠায় খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম অন্যপাশে সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দিলেন ভেন্যু ম্যানেজার।
ফতুল্লা স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, ‘ড্রেসিংরুমের পাশেই বসতবাড়ি নির্মাণ হয়েছে এতে খেলোয়াড়দের জন্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। যেখানে স্থাপন করলে খেলোয়াড়দের জন্য ভালো হবে সেখানেই করা হবে।’
ড্রেনেজের সমস্যার জন্য স্টেডিয়ামে মাটি ছয় ফুট উঁচুতে আনতে ফেলা হয়েছে বালু। আউটার স্টেডিয়ামের উইকেটের কাজও সম্পন্ন হয়ে গেছে প্রায় ৬০ শতাংশ। জেলা লিগ বা তৃতীয় বিভাগের ক্রিকেট দিয়ে হলেও এ মাঠে ক্রিকেট ফেরাতে মরিয়া বর্তমান গ্রাউন্ডস কমিটি।





