বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন আজ

বিসিবিতে চলছে নির্বাচন প্রস্তুতি
বিসিবিতে চলছে নির্বাচন প্রস্তুতি | ছবি: এখন টিভি
0

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন শুরু হচ্ছে সকাল ১০টায়। ৮ মাসের মাথায় বিসিবিতে এটি দ্বিতীয় নির্বাচন। বহু সমালোচনা এবং বিতর্কের পর যে নির্বাচন, সেটি দেশের ক্রিকেটকে স্বস্তি দেবে এমনটাই বলছেন কাউন্সিলর এবং প্রার্থীরা।

গেল বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে এনে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডকে অপসারণ। এরপর দুই মাসের ব্যবধানে অ্যাডহক কমিটির ব্যানার সামনে রেখে আবারও ভোটের ব্যস্ততা।

আগামী চার বছর দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিসিবির শীর্ষ পদে কারা বসবেন, সেটি বেছে নেবেন দেশের ক্রিকেট সংগঠকরা।

নির্বাচনের বড় আকর্ষণ ঢাকা ক্লাব ক্যাটাগরি। যদিও ৭৬ জন কাউন্সিলরের মাঝে ৩৯ জন ই-ভোটের আবেদন করায় এই আমেজে কিছুটা ভাটা। কারণ এর আগের নির্বাচনে ই-ভোট নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। সিটি ক্লাবের কাউন্সিলর মঈনুল হক মনে করেন, গঠনতন্ত্রে সুযোগ থাকলেও সশরীরে ভোটদানের আগ্রহ থাকা উচিত কাউন্সিলরদের।

সিটি ক্লাবের কাউন্সিলর মঈনুল হক বলেন, যারা করেছেন তাদের হয়তো কোনো কর্মব্যস্ততা বা হয়তো দেশের বাইরে কোনো কোনো কাজ যদি থাকে তারা হয়তো সেই চিন্তা করে হয়তো করেছেন। কিন্তু আমার মনে হয়, আমি যেটা মনে করি, ঢাকায় যারা আছে ই-ভোটিংয়ের যে বিষয়টা, এর আমি মনে করি এটা আসলেই এটা যদি গঠনতন্ত্রে থাকে সেটাও ঠিক করা উচিত এবং ঢাকা যারা থাকবে, তারা আমি মনে করি তারা সরাসরি গিয়ে নিজের ভোট নিজের দেওয়াটাই উচিত বলে আমি মনে করি।

সংগঠনটির প্রত্যাশা আগের বিতর্ক মুছে ফেলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বিসিবি কার্যালয়ে।

মঈনুল হক বলেন, অবশ্যই একটা পজিটিভ দিক যে আমরা একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি। আপনি জানেন বিগত সময়ে যে বিসিবি যে নির্বাচন বা যে এই প্রক্রিয়াটা ছিল এটা নিয়ে অনেক সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক, অনেক ধরনের সমস্যা ছিল। তো ইনশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ, এবার ওই ধরনের কোনো শঙ্কা বা ইয়ে ইয়ে নেই। একটা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইনশাল্লাহ একটা স্বচ্ছ সুন্দর নির্বাচন হবে।

নতুন বোর্ডে পরিচালক পদে আগ্রহী অনেকেই তরুণ সংগঠক। তাদের আগ্রহকে ইতিবাচক নজরে দেখছেন মঈনুল হক। আর ক্যাটাগরি-৩ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হওয়া সিরাজউদ্দিন আলমগীর বললেন, তরুণ হলেও ক্রিকেটের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এসব সংগঠক।

বিসিবি পরিচালক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর বলেন, এই বোর্ডে যারা এসেছেন, অনেক ইয়াং ব্লাড, ইয়াং জেনারেশন এসে এসেছেন। তারা বিশ্বের বিভিন্ন স্টেডিয়ামগুলা দেখেছেন। তাদের দূরদৃষ্টি আছে, দূরদর্শিতা আছে। এখানে আমরা যাদেরকে মন্ত্রিপুত্র বলে এখন হাসি-ঠাট্টা করছি, তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আমি কথা বলেছি। তাদের যেই ভিশন আছে, তাদের যে এগ্রেশন আছে, আমি বারবার কথাগুলা বলছি যে, আমি প্রত্যাশা করি এই মেয়াদে বাংলাদেশ ক্রিকেট বদলে যাবে।

ইএ