জিম্বাবুয়ের মাঠে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩২ রানের হারে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা।
টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায় সফরকারীরা। তবে ইয়াসির আলীর ৩৮ বলে ৫৪ রানের লড়াকু ইনিংস ছিলো বাংলাদেশের একমাত্র বড় প্রাপ্তি।
আরও পড়ুন:
বোলিংয়ে অবশ্য আশা জাগিয়েছেন নাহিদ রানা। আগুনঝরা গতিতে ৪ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি তিনি। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেই পারফরম্যান্সও কাজে আসেনি।
অন্যদিকে, স্বাগতিকরা রয়েছে দারুণ আত্মবিশ্বাসে। ব্রায়ান বেনেট ও রায়ান বার্লের কার্যকর ইনিংসের পর বল হাতে রিচার্ড নাগারাভা এবং ব্লেসিং মুজারাবানির চার উইকেট করে শিকার বাংলাদেশকে বড় ধাক্কা দেয়।
তাই দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জ হবে পাওয়ারপ্লেতে ভালো শুরু করা এবং জিম্বাবুয়ের দুই পেসারের প্রথম স্পেল সামলানো। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা ফিরলে আর বোলাররা আগের ম্যাচের ছন্দ ধরে রাখতে পারলে সিরিজে সমতা ফেরানোর সুযোগ রয়েছে টাইগারদের সামনে। এখন দেখার বিষয়, বাঁচা-মরার এই লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না বাংলাদেশ।





