জিম্বাবুয়ে সফরে ভরাডুবির পর দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটির বিপক্ষে টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা পেয়েছেন শান্তরা। সেখানেই শেষ নয়, ওয়ানডে সিরিজটাও খোয়াতে হয়েছে স্বাগতিকদের কাছে। পূর্ণাঙ্গ সফরে একমাত্র সান্ত্বনা টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাওয়া কষ্টার্জিত জয়।
ঢাকায় নেমেই কন্ডিশনের অজুহাত দাঁড় করালো টিম ম্যানেজমেন্ট। সঙ্গে পর্যাপ্ত অনুশীলনের অভাবকেও দায়ী করলেন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল।
কোচ আশরাফুল বলেন, ‘আগে কিন্তু একটা প্র্যাকটিস ম্যাচ হতো। একটা থ্রি-ডে ম্যাচ কিংবা একটা ওয়ানডে ম্যাচ যদি হতো, তাহলে অ্যাডজাস্টমেন্ট করাটা সহজ হতো। তো ওই অপশনটা এখন নেই। এখন আপনাকে খুব ডাইরেক্টই খেলতে হয়। কন্ডিশনের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করার জন্য যে এক্সট্রা একটা সময়—যদিও আমাদের টেস্ট টিমটা আগে গিয়েছেন, ওয়ানডে টিমের প্লেয়াররাও আগে গিয়েছিলেন, কিন্তু প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলার যে এক্সপেরিয়েন্সটা, ওইটা কিন্তু ছিলো না।’
আরও পড়ুন:
মোহাম্মদ আশরাফুলের বিশ্বাস, জিম্বাবুয়ে সফরের বাজে ফলাফল দলের মানসিকতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। বরং নবাগতদের জন্য এমন হার থেকেই ইতিবাচক দিক খুঁজছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘একটা-দুইটা ম্যাচ আপনি হারতেই পারেন। কন্ডিশন ডিফারেন্ট কন্ডিশন। তো লাস্ট ৭ মাস ধরে যে তারা এতো ভালো ক্রিকেট খেলছে, সেই জায়গায় এক-দুই ম্যাচ হারার পরে মোরালি তো ডাউন হওয়ার কোনো কিছু নাই, আমি মনে করি। অবশ্যই একটা ডিফারেন্ট কন্ডিশনে খেলেছেন। সেই সেই জায়গায় এই একটা এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে।’
জিম্বাবুয়েতে খাপছাড়া ক্রিকেট খেলার পর এবার বাংলাদেশের সামনে মাইটি অস্ট্রেলিয়া। আগস্টে অজিদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবেন শান্তরা। জিম্বাবুয়ে সিরিজের ব্যর্থতা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়াতে আমি মনে করি যে টাফ হবে। প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে যাচ্ছি, একটা থ্রি-ডে ম্যাচ খেলার অপরচুনিটি আছে আমাদের। তো আমি আশা করব আমাদের সবাই যদি সুস্থ থাকে, অবশ্যই টেস্ট দুইটা ম্যাচই আমরা ভালো করার চেষ্টা করব।’
সাম্প্রতিক ফলাফল নিয়ে না ভেবে সরাসরি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, এমনটাই বিশ্বাস আশরাফুলের।





