বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড, নাথান লায়নসহ অভিজ্ঞদের নিয়েই মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।
অনেকে মনে করছেন, অস্ট্রেলিয়ার এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতির স্বীকৃতি। তবে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
ভারতের ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, অস্ট্রেলিয়া সবসময় টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেয়। প্রতিপক্ষ নয়, নিজেদের সেরা দল নিয়েই খেলতে চায় তারা।
সাকিবের মতে, অস্ট্রেলিয়ার পূর্ণশক্তির দল নামানোর মূল কারণ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট। সিরিজটি চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না তারা। পাশাপাশি দলের ক্রিকেটাররাও পর্যাপ্ত বিশ্রামে থাকায় সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা হিসেবে নাহিদ রানার অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন সাকিব। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নাহিদের গতি ও বোলিং মোকাবিলা করা অজি ব্যাটারদের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারত। দীর্ঘদেহী ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার নাহিদ রানা, বলে গতি তুলতে পারেন দেড়শো কিমির আশপাশে। বাউন্সার মারতে পারেন, রিভার্স সুইংটাও শিখে গেছেন অল্প সময়ের মধ্যেই।
মাত্র দুই বছরের ক্যারিয়ারে ১২টি টেস্ট খেলেই নাহিদ রানা এখন তালিকার এক নম্বরে। বাংলাদেশ জিতেছে এমন টেস্টে পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৬টি উইকেট তাঁর।
এদিকে ১৭ বছর পর ঐতিহাসিক লর্ডসে টেস্ট খেলার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাকিব। তার আশা, ভবিষ্যতে আরও বেশি এমন সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্ট। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০০৩ সালের পর আবারও লাল বলের ক্রিকেটে নামতে যাচ্ছে টাইগাররা।





