বিশ্বকাপে জায়গা পেয়ে উৎসবে মেতেছে তুরস্ক-ইরাক, আবার ও বিশ্বকাপে নেই ইতালি

ফিফা বিশ্বকাপে হার ও জয়
ফিফা বিশ্বকাপে হার ও জয় | ছবি: এখন টিভি
0

কেউ মেতেছেন উৎসবে, আবার কেউ ডুবেছেন হতাশায়। ফিফা বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়ায় তুরস্ক, ইরাকে চলছে দিনব্যাপী আনন্দ-উল্লাস। আবার ইতালির সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন আরও একবার বিশ্বকাপে জায়গা না পেয়ে। ভক্তদের দাবি, পুরো ইতালিয়ান ফুটবলের চিত্র বদলানো হোক দ্রুতই।

খেলা শেষের বাঁশি বাজতেই মাঠে ইরাকের খেলোয়াড়দের উল্লাস। বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠল দ্য লায়ন্স অফ মেসোপটেমিয়া। আর সেই উল্লাসের ঢেউ আছড়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দজলা নদীর পাড়ে। সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন নগরী বাগদাদের রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ নাগরিকরা। বিশ্বকাপ খেলতে পারার আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো ইরাকে।

নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিতের পর খেলোয়াড়দের প্রতি ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান ইরাকের সাধারণ জনতা।

ইরাকের একজন বলেন, ‘সমগ্র ইরাকের পক্ষ থেকে ফুটবল দলকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। আশা করি ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এ ধারা অব্যাহত রাখবে। দেশের জনগণের এমন উল্লাস প্রাপ্য। আমাদের রক্ত এবং হৃদয় আমরা ইরাকের জন্য উৎসর্গ করবো।’

আরও পড়ুন:

দজলা নদীর পাড়ে যখন উৎসব, তখন ইউরোপের তাইবার নদীর তীরবর্তী রোম শহরে চলছে হতাশা। টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ থেকে বঞ্চিত হয়েছে ইতালি। চারবারের চ্যাম্পিয়নদের এমন পারফরম্যান্সে বেশ ক্ষুব্ধ সাধারণ নাগরিকরা।

ইতালি একজন বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বেশ অনেক বছর ধরেই আমরা ভুগছি কিন্তু এটাই ফুটবল, কিছু জিতবেন, কিছু হারবেন। আমার মনে হয় কোচ গাত্তুসো ভালোই করেছেন। আমাদের খুব মেধাবী কিছু ফুটবলার দরকার, সেইসঙ্গে নতুন ফুটবলার তৈরি করতে হবে।’

ইতালিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়ায় আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বসনিয়ায়। রাতভর রাস্তায় থেকে উল্লাস করেছেন দেশটির মানুষ। ১২ বছর পর আবার গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে উড়বে দেশটির পতাকা

আরও পড়ুন:

বসনিয়ার একজন বলেন, ‘আমরা আর কিছুরই পরোয়া করি না। বাছাইপর্ব পেরিয়ে গিয়েছি। এখন যাইই হোক, আর কিছুই ভাবতে চাইনা।’

একইদিনে ৫২ বছরের অপেক্ষা কাটিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে ডিআর কঙ্গো। আর কসোভোকে হারিয়ে ২০০২ সালের পর প্রথমবার ফিফার বৈশ্বিক আসরে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে তুরস্ক।

জেআর