কোচ বদলালেই কি বদলে যাবে দেশের ফুটবলের ভাগ্য? নাকি দরকার অন্য কোন গভীর পরিবর্তন? বাংলাদেশ ফুটবলের এখন হট টপিক নতুন কোচ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। বারবার প্রধান কোচ নিয়োগ দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে বাফুফের পেশাদারিত্বের অভাব বলে মনে করছেন সাবেক অধিনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহম্মেদ চুন্নু।
সাময়িক সাফল্য নয় বরং বাংলাদেশের দরকার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। আর সেই কারণেই দেশীয় কোচের চেয়ে অভিজ্ঞ বিদেশি কোচ নিয়োগকে বেশি যৌক্তিক মনে করছেন সাবেক এই ফুটবলার।
বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু বলেন, ‘আমাদের দেশিয় কোচরা যদি ন্যাশনাল টিমের দায়িত্ব নেয়, তাহলে তারা কতটুকু পারবে সে আস্থা হারিয়ে গেছে। আস্থা তৈরি করতে হবে। আমাদের কোচ পারবে। দ্বিতীয়ত বিদেশি কোচ এনে সাময়িক কোনো জিনিস চাইনা। আমরা চাই লং টার্ম কোনো মঙ্গল। এ জন্য বিদেশি কোচ যেন বাংলাদেশে সার্বক্ষণিক থাকে। শুধু কোচিং করানো দায়িত্ব না। একটি পরিকল্পনাও দিতে হবে।’
আরও পড়ুন:
শুধু কোচ পরিবর্তন নয় বরং ফুটবলের পুরো অবকাঠামো ঢেলে সাজানোর তাগিদ দিলেন এই ফুটবল সংগঠক। জাতীয় দলকে শক্তিশালী করতে ঘরোয়া লিগের মানোন্নয়নের বিকল্প নেই বলে মনে করেন সাবেক এই ফুটবলার।
তিনি বলেন, ‘ডিসটিক ফুটবলে যেতে হবে। জেলায় জেলায় ফুটবল প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে। ইন্টার স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিগুলো তদারকি করতে হবে। তাহলেই আমাদের দেশের ফুটবল একটি জাতীয় পর্যায়ে যাবে।’
অনেকটা আক্ষেপ নিয়েই চুন্নু জানালেন জাতীয় দল ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং ক্লাবগুলোকে একসঙ্গে কাজ না করলে আর সার্কভুক্ত বিদেশি খেলোয়াড়দের কোটা বন্ধ না করলে ধ্বংস হবে দেশের ফুটবল।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘরোয়া ফুটবলে মাঠে টানতে হলে ভালো মানের খেলোয়াড় দরকার। একটি ক্যালেন্ডার না থাকা বড় অন্তরায়। সার্কের খেলা ওপেন করে দিয়ে একটি মরণফাঁদ তৈরি করেছে। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দ্রুত সময়ের জন্য উইথ ড্র করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’
তবে জাতীয় দলে হামজা-শমিতদের অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন চুন্নু। তার মতে, মানসম্পন্ন বিদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার এলে প্রতিযোগিতা বাড়বে দেশের ফুটবলে।





