ফুটবলে পরাশক্তি নয় তবে সব সময়ই বড় দলগুলোর শক্ত প্রতিপক্ষ কলোম্বিয়া। লাতিন অঞ্চলের এ দেশটি শেষ কোপা আমেরিকার ফাইনালে খেলেছে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার চোখে চোখ রেখে শিরোপা জন্য লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে হেরে রানার-আপ হয় কলোম্বিয়া।
২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইয়েও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে দলটি। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এক ম্যাচে ১-১ গোলের ড্র, ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারানো ও কনমেবল অঞ্চল থেকে টেবিলের তিনে থেকে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় কলোম্বিয়া। ‘কে’ গ্রুপে থাকা এ দল আগে থেকেই ভালো কিছু করার বার্তা দিয়ে রেখেছে।
আরও পড়ুন:
কলোম্বিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি মিডফিল্ডে নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করতে পারার সক্ষমতা। লাতিন ফুটবলের সৌন্দর্য টিকি-টাকায় দক্ষতার পাশাপাশি ইউরোপীয় গতিশিল ফুটবলেও পারদর্শী কলোম্বিয়া। সঙ্গে উইংবেজ অ্যাটাক আর সেট পিসে গোল করার প্রবণতা প্রতিপক্ষ দলের জন্য বড় হুমকি হিসেবে যথেষ্ট।
তাছাড়া লাতিন এ দলটিতে রয়েছে একাধিক বড় নাম। হামেস রদ্রিগেজের মতো তারকা ফুটবলার থাকায় বাড়তি বিশ্বকাপে বাড়তি শক্তি যোগাবে কলোম্বিয়াকে।
এছাড়া বায়ার্ন মিউনিখ তারকা লুইস দিয়াজও ক্লাবের হয়ে আছেন দারুণ ছন্দে। রাদামেল ফেলকাওয়ের মতো গোল স্কোরার যে কোনো সময় দলের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা রাখেন। এছাড়া অন্যান্য যারা আছেন সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে যথেষ্ট পরিক্ষীত।
সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘কে’ থেকে কলোম্বিয়া এক চমক হতে যাচ্ছে। তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া এ দল স্বপ্ন দেখতে বিশ্বকাপে বড় কিছু করবার।





