এক সিদ্ধান্তেই বদলে গেল ম্যাচ, কী বলে এপিপি নিয়ম?

আর্জেন্টিনা বনাম মিশর ম্যাচ
আর্জেন্টিনা বনাম মিশর ম্যাচ | ছবি : সংগৃহীত
0

‘অ্যাটাকিং পজেশন ফেজ’ বা এপিপি নিয়মে বাতিল হয় মিশরের দ্বিতীয় গোল। একটি সিদ্ধান্ত মাত্র একটি সিদ্ধান্ত। আর সেটিই বদলে দেয় পুরো ম্যাচের ভাগ্য। আর্জেন্টিনার জালে দ্বিতীয় বল জড়ানোর পর যখন উৎসবে মেতেছিল সবাই, ঠিক তখনই নীরব নায়ক হয়ে হাজির হয় ভিএআর। কয়েক সেকেন্ডের পুরনো একটি ফাউল খুঁজে বের করে বাতিল করে দেয় গোল। কিন্তু এতক্ষণ পরও কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব? ফুটবলের কোন নিয়মে ফিরে দেখা হয় আগের সেই মুহূর্ত?

দুই-শূন্য ঠিক এমন সময়ই যেন থমকে যায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন। মিশরের মোস্তফা জিকোর গোলের উল্লাসে যখন স্টেডিয়াম মুখর, তখনই দৃশ্যপটে আসে ভিএআর।

রেফারিকে ডাকা হয় মনিটরের সামনে। রিপ্লেতে স্পষ্ট ধরা পড়ে গোল হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে ফাউল করেছিলেন মারওয়ান আতেয়া। আর সেখানেই বদলে যায় পুরো ম্যাচের গল্প। বাতিল হয়ে যায় মিশরের দ্বিতীয় গোল।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতক্ষণ পর গোল কীভাবে বাতিল হলো? উত্তর লুকিয়ে আছে ফুটবলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে অ্যাটাকিং পোজেশন ফেজ, সংক্ষেপে এপিপি।

আরও পড়ুন:

কোনো দল বলের দখল ধরে রেখে যে ধারাবাহিক আক্রমণ চালায়, সেটিই এপিপি। এ আক্রমণের শুরুতে যদি কোনো ফাউল বা নিয়মভঙ্গ ঘটে এবং একই আক্রমণ থেকে পরে গোল আসে, তাহলে ভিএআর সেই ফাউল পর্যন্ত ফিরে গিয়ে গোল বাতিলের সুপারিশ করতে পারে।

এ ম্যাচে ঠিক সেটাই হয়েছে। লিসান্দ্রোকে ফাউলের পর আর্জেন্টিনা আর বলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়নি। মিশর একই আক্রমণ চালিয়ে গোল করেছিল। তাই নিয়ম অনুযায়ী গোলটি বৈধ ছিলো না।

ভিএআরের সেই এক সিদ্ধান্তই হয়ে ওঠে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। দুই-শূন্য হওয়ার বদলে এক গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা ঘুরে দাঁড়িয়ে রচনা করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে নিশ্চিত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

এফএস