চার মিনিটের মধ্যেই সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। সিডি পেকের ফ্রি কিক থেকে জ্যাফেটের হেডে ম্যাচে ফেরে শেফিল্ড। বিরতির পর ৬৭ মিনিটে স্যাম ডালবির হেডে আবারও এগিয়ে যায় বোল্টন। তবে এক মিনিটের ব্যবধানেই ম্যাচে ফেরে শেফিল্ড। গোল করে স্কোর ২-২ করেন প্যাট্রিক ব্যামফোর্ড। শেষ দিকে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষ মুহূর্তে ব্যবধান গড়ে দেন শেফিল্ডের ডোনোভান।
শুরুর একাদশে থেকে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল হামজারও। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থেকে ৫০টি পাসের মধ্যে ৪৫টি সফলভাবে সতীর্থদের কাছে পৌঁছে দেন। চারটি ট্যাকল করে চারটিতে সফল হয়েছেন।





