কদিন আগেই ফর্টিস এফসির কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার আক্ষেপ করে বলেছেন, দেশি ফুটবলের মাঠ সংকট রয়েছে। বিভিন্ন জেলার মাঠগুলো ক্লাবগুলোকে বরাদ্দ দিলেও এর মালিকানা এবং ব্যবহার নিয়ে থেকে যায় প্রশ্ন। রক্ষণাবেক্ষণের দায় নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে যায় এনএসসি এবং ক্লাবগুলোর মাঝে। আর ক্লাবগুলো আর্থিক সংকটের দোহাই দিয়ে যাবতীয় ভার চাপিয়ে দেয় বাফুফের কাঁধে।
অবশেষে বিশৃঙ্খল এ পরিস্থিতির হয়েছে শেষ। এখন টিভিকে বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানালেন, আসন্ন লিগে মাঠের যাবতীয় দায় নিচ্ছে বাফুফেই। সেইসঙ্গে, ক্লাবগুলোকেও মাঠ ইস্যুতে দেয়া হবে আর্থিক সহায়তা।
বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন বলেন, ‘মাঠ প্রতিদিন খেলা হওয়ার আগে একটা খরচ আছে। মিনিমাম একটা খরচ আছে। এ খরচগুলো আগে ক্লাব বহন করত। কিন্তু এবার আমরা এ সমস্ত খরচগুলো বাফুফের থেকে বহন করব। এজন্য আশা করছি, গতবার যে প্রবলেমগুলো ফেস করছে এবার অনেক প্রবলেমগুলো পাবে না।’
আরও পড়ুন
বাফুফের এ কর্মকর্তার দাবি, সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিলেও, পরিপূর্ণ সমাধান পেতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ-এনএসসির সঙ্গে আলোচনা বাকি রয়েছে তাদের। যদিও একই প্রশ্নের জবাবে এনএসসি বলছে, বাফুফেকে মাঠ বুঝিয়ে দেয়ার পর আর কোনো দায় থাকে না সংস্থাটির।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক মোহাম্মদ জাহেদ পারভেজ চৌধুরী বলেন, ‘যখনই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন মাঠটি চেয়েছে, আমরা যথাসময়ে মাঠ বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছি। এটা ফেডারেশনের দায়িত্ব মাঠ মেইনটেনেন্স থেকে শুরু করে ড্রেসিং রুম এবং যত উন্নয়ন বা অবকাঠামো ডেভেলপমেন্ট এটা ফেডারেশনই করে থাকে। যেহেতু সারা বছর তারা মাঠটা ব্যবহার করে, এখানে এনএসসির একচুয়ালি কোনো দায়বদ্ধতা নেই।’
বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত আমরাও যদি কোনো সমস্যার সমাধান করতে না পারি, তখন আমরা আমাদের অভিভাবক এনএসসির কাছে আমরা যাই। আমরা তো আমাদের অভিভাবকের কাছে গিয়ে রিকুয়েস্ট করলে তারা তাদের মতো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে দেয়।’
দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না মিললেও সামনের মৌসুমে বাফুফের এমন উদ্যোগে সন্তুষ্টি ফিরেছে ক্লাবগুলোর মাঝে।




