বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সমর্থকদের অভিবাদন জানিয়ে মাঠ ছাড়েন ক্যারিক। তার নাম ধরে স্লোগান দিলেও কোচ টানেলে ঢুকে যেতেই খেলোয়াড়দের দুয়ো দিতে থাকেন সমর্থকরা।
তাদের অভিযোগ, দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সামর্থ্যের ঘাটতি আছে, নয়তো জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় লড়াইয়ের মানসিকতা নেই।
ম্যাচ শুরুর এক মিনিটের মধ্যেই শোনা যায় মালিক গ্লেজার পরিবার ও স্যার জিম র্যাটক্লিফের বিরুদ্ধে স্লোগান। ২০০৫ সালে ঋণের বোঝা নিয়ে ক্লাবটির মালিকানা নেয়ার পর থেকেই গ্লেজার পরিবারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ক্লাবের ঋণ ছাড়িয়েছে ১১৫ কোটি পাউন্ড। আর ঋণের সুদ বাবদ খরচ হয়েছে বিপুল অর্থ, যা দিয়ে ভালো খেলোয়াড় কেনা যেত বলে মনে করেন সমর্থকরা।
কোচ নিয়োগ ও বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এরিক টেন হাগ ও রুবেন আমোরিমের বিদায়ের পর কারিককে দায়িত্ব দেয়া হয়।
এবার তাকেও সরিয়ে দিলে তিন মৌসুমে তৃতীয় কোচকে বরখাস্ত করতে হবে ইউনাইটেডকে। যা ক্লাবের ব্যবস্থাপনার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলবে।
শুধু কোচ কিংবা খেলোয়াড় নয়, দল গঠন, টিকিট ব্যবস্থাপনা এবং এক লাখ দর্শক ধারণক্ষমতার নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়েও অসন্তুষ্ট সমর্থকরা। তাঁদের মতে, ক্লাবের ঐতিহ্য ও মাঠের পারফরম্যান্সের সঙ্গে বর্তমান ব্যবস্থাপনার বড় ফারাক তৈরি হয়েছে।
ক্যারিক নিজেই দলের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেছেন। কিন্তু ইউনাইটেডের সংকট যে আরও গভীরে, গ্যালারির প্রতিবাদই তার স্পষ্ট বার্তা।
এখন প্রশ্ন, শুধু কোচ বদলে কি সমর্থকদের আস্থা ফেরাতে পারবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ? নাকি পুরো ব্যবস্থাপনাতেই প্রয়োজন বড় পরিবর্তন?





