হিউস্টন স্টেডিয়ামের ৭১ হাজার দর্শকের সামনে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ প্রতি আক্রমণে খেলা জমিয়ে তুলে দুই দল। তবে বারবারই গোল মুখে খেই হারায় ব্রাজিল। ফিজিক্যাল ফুটবলের পশরা সাজায় দুই দল।
ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন জাপানের কাইসু ছানো। এর ঠিক তিন মিনিট পরেই ডি বক্সের সামান্য বাইরে থেকে ফাউল করে কার্ড দেখেন ক্যাসেমিরো। এরপরই ম্যাচের প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকে যায় দুই দল। মাঠে নেমেই এই ব্রেকের সুফলতা দেখায় জাপানের খেলোয়াড়রা, পেয়ে যায় প্রথম ব্রেকথ্রু।
ব্রাজিলের ডিফেন্ডার দানিলোর ভুল পাস থেকে মাঝ মাঠে বল পায় জাপানের খেলোয়াড়েরা। দারুণ ক্ষিপ্রতায় দু’জনকে পরাস্ত করে ম্যাচের ২৯ মিনিটে ব্রাজিলের জালে বল জড়ায় কাইসো ছানু।
এরপর কেবল চাপে থাকা ব্রাজিলের গোল পরিশোধের চেষ্টা। তবে প্রথমার্ধে সেই চেষ্টা সফলতার মুখ না দেখলে ১ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আনচেলত্তি বাহিনী।
খেলার গতি বাড়াতে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাঠে নামান এন্ডিককে ম্যাচের ৫৬ মিনিটে গাব্রিয়েলের ক্রসে ক্যাসেমিরোর হেডে গোল করে সমতায় ফেরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি সেলেসাওদের।
৭০ শতাংশ বল পজিশন নিয়ে আক্রমনের পর আক্রমণ করে ব্যাস্ত রাখে জাপানের ডিফেন্স লাইনকে। সবাই যখন অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে খেলা গড়ানোর হিসেব নিকাশ নিয়ে ব্যাস্ত, ঠিক তখনই কার্লো বদলি হিসেবে নামান ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিকে।
ম্যাচের ৯৫ মিনিটে ডি-বক্সের ভিতর থেকে কোনাকুনি শটে বল জাপানের জালে জড়ান তিনি। আর তাতেই নিশ্চিত হয় সেলেসাওদের জয়। সেইসঙ্গে শেষ বত্রিশ থেকেই বিদায় ঘণ্টা বেজে যায় দারুণ ফুটবল খেলা জাপানের।





