ফুটবল বিশ্বে সবশেষ স্বীকৃত ক্লাসিকাল নাম্বার টেন বলা যায় লিও মেসিকে। স্বাভাবিকভাবেই আর্জেন্টিনার আক্রমণে উইংয়ের চেয়ে মাঝমাঠের প্রাধান্য বেশি। মিডফিল্ডে অতিরিক্ত দু’জন খেলোয়াড় জড়ো করেই পুরো আসরে ম্যাচ জয় করে এনেছিল লিওনেল স্ক্যালোনির দল। তাতে মেসিও হয়েছেন সফল। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ১৭ গোলের ১০টিতেই সরাসরি অবদান রেখেছেন লা পুলগা। নিজে করেছেন ৮ গোল। করিয়েছেন ২টি।
তবে মিশর আর সুইজারল্যান্ড ম্যাচে মেসি উইঙ্গার ভূমিকায় নেমেই হয়েছেন দলের ত্রাতা। ইংল্যান্ড ম্যাচেও তাই উইং নিয়ে কিছুটা ভাবনা আছে কোচ স্ক্যালোনির মাঝে। আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমের ভাষ্য, আক্রমণে কিছুটা ভিন্নতা আনতে এই ম্যাচে সুযোগ পেতে পারেন গুইলিয়ানো সিমিওনে বা নিকো গঞ্জালেস। আর সেক্ষেত্রে শুরুর একাদশ থেকে বাদ পড়বেন রদ্রিগো ডি পল। আগের দুই ম্যাচেই ডি পলকে বদলি করে ম্যাচের গতি বাড়ায় আর্জেন্টিনা।
এই ম্যাচে শুরু থেকেই সেই প্রচেষ্টা দেখা যেতে পারে। এছাড়া ইংল্যান্ডের উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডনকে সামাল দিতে নাহুয়েল মলিনার বদলে অভিজ্ঞ গঞ্জালো মন্তিয়েলের শুরুর সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। তবে ম্যাচের একাদশ যেমনই হোক, বল পজিশনেই মনোযোগ বেশি থাকবে সেটা নিশ্চিত করেছেন কোচ স্ক্যালোনি নিজেই।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কোচ স্ক্যালোনি অবশ্য কয়েকবারই ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্কোয়াডের সব খেলোয়াড়কে। দলের সবাই শুরুর একাদশে থাকার যোগ্য, সে কথাও বলেছিলেন আগেই। শেষ পর্যন্ত কার কার সুযোগ মিলবে, সেই সিদ্ধান্ত অবশ্য নেবেন ম্যাচের আগমুহূর্তে।





